ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদের নামাজে মুসল্লিদের পথ দেয়ায় পিতাকে পেটালো ছেলে

  • সবুজদেশ ডেস্ক:
  • Update Time : ০৪:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে।

 

খুলনা কয়রা উপজেলার চাঁন্নিরচক গ্রামে মসজিদে মুসল্লিদের নামাজ পড়তে যাতায়াতে পথ দেওয়ায় আবু সানা নামের এক বয়োবৃদ্ধ পিতাকে পিটিয়েছেন তার বড় ছেলে আ: রউফ সানা। বৃদ্ধ ‍পিতা কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বুধবার (২রা এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঐ বৃদ্ধের নিজ বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীদের মাঝে গুঞ্জন চলছে।

ভুক্তভোগী পিতা জানান, আমাদের বাড়ির পাশে একটি পাঞ্জাখানা হয়েছিল, সেটি এখন জামে মসজিদ হয়েছে। এই ঈদে সেখানে ঈদের নামাজ আদায় করেছে মুসল্লিরা। তাদের চলাচলের জন্য পথ দিয়েছি। সেই কারণে আমার বড় ছেলে বুধবার রাতে বেশ কয়েকজন লোক এনে আমাকে ঘর থেকে টেনে বের করে উঠানে ফেলে মারপিট করে। আমি জোরে চিৎকার করলে চাচাতো ভাইয়েরা এসে আমাকে ওদের হাত থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি আরও বলেন, গতবছরেও সে আমাকে মেরেছিল। আমি কয়রা থানায় অভিযোগ করার পর থানা থেকে আমার ছেলে মুচলেকা দিয়েছিলো যে আমাকে আর মারবেবা। কিন্তু সে থামছে না। বর্তমানে আমি আমার মেঝ ছেলের বাড়িতে আছি। জানের ভয়ে বাড়ি যেতে পারছি না। মারপিট করা শেষে ঘরের দরজা ও মালামাল ভাঙা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে মো. আ: রউফ সানার মোবাইল ফোনে যোোযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ভুক্তভোগী পিতা কয়রা থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সবুজদেশ/এসইউ

ঈদের নামাজে মুসল্লিদের পথ দেয়ায় পিতাকে পেটালো ছেলে

Update Time : ০৪:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

 

খুলনা কয়রা উপজেলার চাঁন্নিরচক গ্রামে মসজিদে মুসল্লিদের নামাজ পড়তে যাতায়াতে পথ দেওয়ায় আবু সানা নামের এক বয়োবৃদ্ধ পিতাকে পিটিয়েছেন তার বড় ছেলে আ: রউফ সানা। বৃদ্ধ ‍পিতা কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বুধবার (২রা এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঐ বৃদ্ধের নিজ বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীদের মাঝে গুঞ্জন চলছে।

ভুক্তভোগী পিতা জানান, আমাদের বাড়ির পাশে একটি পাঞ্জাখানা হয়েছিল, সেটি এখন জামে মসজিদ হয়েছে। এই ঈদে সেখানে ঈদের নামাজ আদায় করেছে মুসল্লিরা। তাদের চলাচলের জন্য পথ দিয়েছি। সেই কারণে আমার বড় ছেলে বুধবার রাতে বেশ কয়েকজন লোক এনে আমাকে ঘর থেকে টেনে বের করে উঠানে ফেলে মারপিট করে। আমি জোরে চিৎকার করলে চাচাতো ভাইয়েরা এসে আমাকে ওদের হাত থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি আরও বলেন, গতবছরেও সে আমাকে মেরেছিল। আমি কয়রা থানায় অভিযোগ করার পর থানা থেকে আমার ছেলে মুচলেকা দিয়েছিলো যে আমাকে আর মারবেবা। কিন্তু সে থামছে না। বর্তমানে আমি আমার মেঝ ছেলের বাড়িতে আছি। জানের ভয়ে বাড়ি যেতে পারছি না। মারপিট করা শেষে ঘরের দরজা ও মালামাল ভাঙা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে মো. আ: রউফ সানার মোবাইল ফোনে যোোযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ভুক্তভোগী পিতা কয়রা থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সবুজদেশ/এসইউ