ঢাকা ১১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করাচিতে আগুনে প্রাণ গেল ১৬ শ্রমিকের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে।

ছবি : সংগৃহীত

সবুজদেশ ডেস্কঃ

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির একটি কারখানায় আগুন লেগে কমপক্ষে ১৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

একটি আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ওই কারাখানার ভেতর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি শ্রমিক আটকা পড়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা শাহজাহান খান বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, অগ্নিদগ্ধ ভবন থেকে আমরা এ পর্যন্ত ১৬টি লাশ উদ্ধার করেছি।

তিনি আরও বলেন, ওই ভবনের ছাদের উঠার সিঁড়িতে তালা দেওয়া ছিল। তালা খোলা থাকলে অনেকেই ছাদে গিয়ে প্রাণ বাঁচাতে পারতেন।

এদিকে, ওই ভবনের কোনো জরুরি বহির্গমন পথ ছিল না বলে জানিয়েছেন করাচির জেলা প্রসাশক মর্তুজা ওয়াহাব।

ভবন নির্মাণের ক্রুটির কারণে পাকিস্তানে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। দেশটির শিল্প আইনের রয়েছে ফাঁকফোকর।

এর আগে ২০১২ সালে করাচির পশ্চিমাঞ্চলে একটি পোশাক কারাখানায় আগুন লেগে ২৫০ জন নিহত হয়েছিলেন। কোনো জরুরি বহির্গমন পথ না থাকায় ওই ভবন থেকে কেউই বের হতে পারেনি বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে দিল ভারত

করাচিতে আগুনে প্রাণ গেল ১৬ শ্রমিকের

Update Time : ০৯:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অগাস্ট ২০২১

সবুজদেশ ডেস্কঃ

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির একটি কারখানায় আগুন লেগে কমপক্ষে ১৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।

একটি আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ওই কারাখানার ভেতর শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৫ জনেরও বেশি শ্রমিক আটকা পড়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা শাহজাহান খান বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, অগ্নিদগ্ধ ভবন থেকে আমরা এ পর্যন্ত ১৬টি লাশ উদ্ধার করেছি।

তিনি আরও বলেন, ওই ভবনের ছাদের উঠার সিঁড়িতে তালা দেওয়া ছিল। তালা খোলা থাকলে অনেকেই ছাদে গিয়ে প্রাণ বাঁচাতে পারতেন।

এদিকে, ওই ভবনের কোনো জরুরি বহির্গমন পথ ছিল না বলে জানিয়েছেন করাচির জেলা প্রসাশক মর্তুজা ওয়াহাব।

ভবন নির্মাণের ক্রুটির কারণে পাকিস্তানে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। দেশটির শিল্প আইনের রয়েছে ফাঁকফোকর।

এর আগে ২০১২ সালে করাচির পশ্চিমাঞ্চলে একটি পোশাক কারাখানায় আগুন লেগে ২৫০ জন নিহত হয়েছিলেন। কোনো জরুরি বহির্গমন পথ না থাকায় ওই ভবন থেকে কেউই বের হতে পারেনি বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।