ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের সাফদারপুর ইউনিয়নের জয়দিয়া বাওড়ে হামলা চালাল বাওড় মৎস্যজীবি আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) সকালে এ হামলা করেন তারা। হামলায় গুরুতর আহত হন বাওড়ের ইজারাদার রঞ্জিত হালদার। আন্দোলনকারীদের দেয়া আগুনে পুড়ে যায় বাওড়ের অফিস, গোডাউন ও মাছ ধরার নৌকা। এতে ৮০ লাখ টাকার ক্ষতি হয় বলে দাবি করেন ভূক্তভোগীরা।
বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের স্ট্যাটাস সবুজদেশ নিউজের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
কোটচাঁদপুর থানা, ঝিনাইদহের জয়দিয়া চন্ডীতলা মাঝের পাড়া এলাকায় মন্দিরের উঠানে পাটখড়িতে অগ্নিসংযোগ প্রসঙ্গে
আজ ০৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি. অনুমান দুপুর ১ ঘটিকায় ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর থানার জয়দিয়া এলাকায় জয়দিয়া মাঝের পাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দিরের উঠানে অজ্ঞাতনামা কে বা কারা নিকটে থাকা পাঠখড়ি ও বাঁশের কঞ্চি নিয়ে এসে আগুন দিয়ে চলে যায়।
উক্ত এলাকার জয়দিয়া বাওড়ের ইজারাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রামচন্দ্রপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি এবং জয়দিয়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। উক্ত দ্বন্দ্বের জেরে যেকোনো এক পক্ষ অপরপক্ষকে দোষী সাব্যস্ত করার লক্ষ্যে উপরোক্ত ঘটনা ঘটাতে পারে মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বাওড়টি বর্তমানে রামচন্দ্রপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে পরিচালিত হচ্ছে।
জড়িতদের সনাক্তপূর্বক গ্রেপ্তারে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত আছে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন গুজব ছড়াতে না পারে সেজন্য সকলকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ১৭ জনকে এজাহারনামীয় ও বাকি ৫০/৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে কোটচাঁদপুর মডেল থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলার সুত্রে মঙ্গলবার রাতে লক্ষিকুন্ড গ্রামে অভিযান চালায় থানা পুলিশ। আটক করেন ওই মামলার আসামি আলম হোসেন, সমির হোসেন ও চান্দা ইসলাম কে।
সবুজদেশ/এসইউ