ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনা বিভাগে করোনায় একদিনে ৩৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬২১

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১
  • ৫৫০ বার পড়া হয়েছে।

ফাইল ছবি

খুলনা:

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৬ জন। একই সময়ে বেড়েছে শনাক্তের সংখ্যা। এ সময় ১ হাজার ৬২১ জনের করোনায় শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (১৪ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বিভাগে ৪৮ জনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ৫৮৮ জন শনাক্ত হন।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। বাকিদের মধ্যে খুলনায় ৯ জন, ঝিনাইদহে সাতজন, যশোরে পাঁচজন, মেহেরপুরে দুজন, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরায় একজন করে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায়। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৭৬ হাজার ৪০১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৭২৫ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৮ হাজার ৮২৭ জন।

Tag :
জনপ্রিয়

সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে দিল ভারত

খুলনা বিভাগে করোনায় একদিনে ৩৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬২১

Update Time : ০১:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

খুলনা:

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৬ জন। একই সময়ে বেড়েছে শনাক্তের সংখ্যা। এ সময় ১ হাজার ৬২১ জনের করোনায় শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার (১৪ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বিভাগে ৪৮ জনের মৃত্যু এবং ১ হাজার ৫৮৮ জন শনাক্ত হন।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়া জেলায়। বাকিদের মধ্যে খুলনায় ৯ জন, ঝিনাইদহে সাতজন, যশোরে পাঁচজন, মেহেরপুরে দুজন, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরায় একজন করে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায়। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৭৬ হাজার ৪০১ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৭২৫ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৮ হাজার ৮২৭ জন।