ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে ৩ মাসের ব্যবধানে পুলিশ কর্মকর্তা দুই ভাইয়ের মৃত্যু, বাকরুদ্ধ গ্রামবাসি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১
  • ২৩১৭ বার পড়া হয়েছে।

বিশেষ প্রতিনিধি:

একই তারিখে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ একটি পরিবার। তাই চান্দুয়ালী গ্রামে এখন শোকের মাতম। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে পুলিশ কর্মকর্তা দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে হতবাক ও বাকরুদ্ধ গ্রামবাসি।

বড় ভাই এসআই শফিউদ্দীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান গত ১৭ মার্চ। ঠিক তিন মাস পর ছোট ভাই এএসআই শামিম উদ্দীন মারা গেলেন ১৭ জুন বৃহস্পতিবার। এসআই শফিউদ্দীন ও এএসআই শামীম উদ্দীন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দীন মন্ডলের ছেলে।

মামাতো ভাই চান্দুয়ালী গ্রামের ইব্রাহীম জানান, বড় ভাই এসআই শফিউদ্দীন নড়াইল সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি গত ১৭ মার্চ মারা যান। সেই শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে ঠিক তিনমাস পর কুষ্টিয়া পুলিশে কর্মরত এএসআই শামীম উদ্দীন করোনা পরবর্তী ফুসফুস ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চান্দুয়ালী বাজার সংলগ্ন বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মানুষের তিল ধরণের ঠাঁই ছিল না। আত্মীয় স্বজন পাড়ার প্রতিবেশি ছাড়াও গ্রামবাসি এএসআই শামীম উদ্দীনের মৃতদেহ দেখার জন্য ছুটে আসেন।

তার খালাতো ভাই স্কুল শিক্ষক গোবিন্দপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর জানান, এএসআই শামীম উদ্দীন খুবই নম্র ও ভদ্র ছিলেন। তার একটি শিশু সন্তান রয়েছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারটি শোকে মুহ্যমান।

Tag :

ঝিনাইদহে ৩ মাসের ব্যবধানে পুলিশ কর্মকর্তা দুই ভাইয়ের মৃত্যু, বাকরুদ্ধ গ্রামবাসি

Update Time : ০৩:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি:

একই তারিখে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ একটি পরিবার। তাই চান্দুয়ালী গ্রামে এখন শোকের মাতম। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে পুলিশ কর্মকর্তা দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে হতবাক ও বাকরুদ্ধ গ্রামবাসি।

বড় ভাই এসআই শফিউদ্দীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান গত ১৭ মার্চ। ঠিক তিন মাস পর ছোট ভাই এএসআই শামিম উদ্দীন মারা গেলেন ১৭ জুন বৃহস্পতিবার। এসআই শফিউদ্দীন ও এএসআই শামীম উদ্দীন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চান্দুয়ালী গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দীন মন্ডলের ছেলে।

মামাতো ভাই চান্দুয়ালী গ্রামের ইব্রাহীম জানান, বড় ভাই এসআই শফিউদ্দীন নড়াইল সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি গত ১৭ মার্চ মারা যান। সেই শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে ঠিক তিনমাস পর কুষ্টিয়া পুলিশে কর্মরত এএসআই শামীম উদ্দীন করোনা পরবর্তী ফুসফুস ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চান্দুয়ালী বাজার সংলগ্ন বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মানুষের তিল ধরণের ঠাঁই ছিল না। আত্মীয় স্বজন পাড়ার প্রতিবেশি ছাড়াও গ্রামবাসি এএসআই শামীম উদ্দীনের মৃতদেহ দেখার জন্য ছুটে আসেন।

তার খালাতো ভাই স্কুল শিক্ষক গোবিন্দপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর জানান, এএসআই শামীম উদ্দীন খুবই নম্র ও ভদ্র ছিলেন। তার একটি শিশু সন্তান রয়েছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারটি শোকে মুহ্যমান।