ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেশার টাকা না পেয়ে শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১
  • ৪২৮ বার পড়া হয়েছে।

যশোরঃ

নেশার টাকার জন্য শাশুড়িকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে জামাই হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে। রোববার (২ মে) দুপুরে বেনাপোলে নারায়নপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মাছুরা বেগম (৫২) বেনাপোল পোর্ট থানার নারায়নপুর গ্রামের ফুল মোহাম্মাদের স্ত্রী। জামাই হারুন অর রশিদ একই গ্রামের আয়ুব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরে শাশুড়ি মাছুরা বেগমের কাছে নেশার টাকা দাবি করে জামাই হারুন অর রশিদ। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শাশুড়ি মাছুরা বেগমকে কুপিয়ে জখম করে বাড়ি থেকে ধান লুট করে নিয়ে যায়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় শার্শা উপজেলা (নাভারণ) হাসপাতালে ভর্তি করায়।

স্থানীয় গ্রামবাসী বিল্লাল হোসেন বলেন, নেশার টাকা না পেয়ে শাশুড়িসহ ওই পরিবারের সবাইকে মারধর করে। প্রায়ই তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মারধর করত। দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েও স্বপ্না হারুনকে ভালো পথে ফেরানোর জন্য চেষ্টা করে। মারধর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ১৯ মার্চ হারুনকে তালাক দেয় স্বপ্না।

হারুনের সাবেক স্ত্রী স্বপ্না বলেন, প্রায় ১৫ বছর তাদের বিয়ে হয়েছে। এরমধ্যে তাদের একটি ১১ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। হারুন ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করত। তাকে সু-পথে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ দিন ধরে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।

আহত মাছুরা বেগম বলেন, আমাকে কুপিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল হারুন। আমি এর বিচার চাই।

Tag :

নেশার টাকা না পেয়ে শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম

Update Time : ১২:০০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১

যশোরঃ

নেশার টাকার জন্য শাশুড়িকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে জামাই হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে। রোববার (২ মে) দুপুরে বেনাপোলে নারায়নপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মাছুরা বেগম (৫২) বেনাপোল পোর্ট থানার নারায়নপুর গ্রামের ফুল মোহাম্মাদের স্ত্রী। জামাই হারুন অর রশিদ একই গ্রামের আয়ুব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রোববার দুপুরে শাশুড়ি মাছুরা বেগমের কাছে নেশার টাকা দাবি করে জামাই হারুন অর রশিদ। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শাশুড়ি মাছুরা বেগমকে কুপিয়ে জখম করে বাড়ি থেকে ধান লুট করে নিয়ে যায়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় শার্শা উপজেলা (নাভারণ) হাসপাতালে ভর্তি করায়।

স্থানীয় গ্রামবাসী বিল্লাল হোসেন বলেন, নেশার টাকা না পেয়ে শাশুড়িসহ ওই পরিবারের সবাইকে মারধর করে। প্রায়ই তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মারধর করত। দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েও স্বপ্না হারুনকে ভালো পথে ফেরানোর জন্য চেষ্টা করে। মারধর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ১৯ মার্চ হারুনকে তালাক দেয় স্বপ্না।

হারুনের সাবেক স্ত্রী স্বপ্না বলেন, প্রায় ১৫ বছর তাদের বিয়ে হয়েছে। এরমধ্যে তাদের একটি ১১ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। হারুন ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করত। তাকে সু-পথে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ দিন ধরে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।

আহত মাছুরা বেগম বলেন, আমাকে কুপিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিল হারুন। আমি এর বিচার চাই।