ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পালিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১
  • ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে।

কুষ্টিয়া:

স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কুষ্টিয়ায় হাসপাতাল থেকে পালিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মনিরা খাতুন (২১) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার (৩ জুলাই) সকালে কুমারখালী রেলস্টেশনের অদূরে মালবাহী ট্রেনের নিচে কাটাপড়ে মারা যান তিনি।

মনিরা খাতুন উপজেলার সদকী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের সিদ্দিক মণ্ডলের মেয়ে। তিনি এক সন্তানের জননী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ২৮ জুন (সোমবার) হারপিক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনিরা খাতুন। পরে স্বজনরা টের পেয়ে তাকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল। শনিবার সকালে স্বজনদের অগোচরে পাশের রেল স্টেশন সংলগ্ন স্থানে গিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

গৃহবধূর বাবা সিদ্দিক মণ্ডল বলেন, তিন বছরে আগে বাটিকামারা তরুণ মোড়ের মনির হোসেনের ছেলে জনির সঙ্গে পারিবারিক ভাবে মেয়ের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই মাদকাসক্ত স্বামী তাকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। এর মাঝে মেয়ের কোল জুড়ে একটি সন্তান আসে। কিন্তু স্বামীর নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বাড়তে থাকে। তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি তার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে দিল ভারত

পালিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

Update Time : ০১:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

কুষ্টিয়া:

স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে কুষ্টিয়ায় হাসপাতাল থেকে পালিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মনিরা খাতুন (২১) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার (৩ জুলাই) সকালে কুমারখালী রেলস্টেশনের অদূরে মালবাহী ট্রেনের নিচে কাটাপড়ে মারা যান তিনি।

মনিরা খাতুন উপজেলার সদকী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের সিদ্দিক মণ্ডলের মেয়ে। তিনি এক সন্তানের জননী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ২৮ জুন (সোমবার) হারপিক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনিরা খাতুন। পরে স্বজনরা টের পেয়ে তাকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল। শনিবার সকালে স্বজনদের অগোচরে পাশের রেল স্টেশন সংলগ্ন স্থানে গিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

গৃহবধূর বাবা সিদ্দিক মণ্ডল বলেন, তিন বছরে আগে বাটিকামারা তরুণ মোড়ের মনির হোসেনের ছেলে জনির সঙ্গে পারিবারিক ভাবে মেয়ের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই মাদকাসক্ত স্বামী তাকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। এর মাঝে মেয়ের কোল জুড়ে একটি সন্তান আসে। কিন্তু স্বামীর নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বাড়তে থাকে। তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি তার বিচার চাই।

এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।