বাগেরহাটঃ
বাগেরহাটের শরণখোলায় শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির হ্যাক করা টাকা তুলতে গিয়ে আনোয়ার সর্দার (৬৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতা আনোয়ার উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের গ্রামের (মাছের খালপাড়) রফিকুল সর্দারের ছেলে।
শুক্রবার দুপুর ১২টায় ওই গ্রামের এক নগদের দোকান থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শহিন জানান, আন্তদেশীয় একটি হ্যাকার চক্র বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। ওই চক্রটি উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের এক নগদের দোকান থেকে প্রথমে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
দ্বিতীয়বারে আবার টাকা তুলতে এলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সাথে নিয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
নগদ উদ্যোগক্তা তাপস চন্দ্র হালদার জানান, গত জুন মাসের ১৫ ও ১৬ তারিখ গ্রেফতারকৃত আনোয়ার সর্দারের ছেলে শাহবুদ্দিন (২২) ১৭৭টি নগদ হিসাব থেকে ৯০০ টাকা করে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা তুলে নিয়ে যান। এরপর নড়াইল, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমার মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়ে তাদের উপ-বৃত্তির টাকা উত্তোলন করা হলো কিভাবে জানতে চায়।
বিষয়টি তার সন্ধেহ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। এরপর ৩০ জুন আবার শাহাবুদ্দিন ০১৭৮০১৩৬৫৯৮ ও ০১৩২৩৬৩২৪৫৬ নম্বর থেকে ফোন করে ৯৬টি হিসাবে থেকে ৮৭ হাজার ৭০০ টাকা তুলে নিতে তার বাবা আনোয়ার সর্দারকে পাঠান। এ সময় তাকে টাকা না দিয়ে শুক্রবার আসতে বলি এবং গোপনে ইউএওকে আবারো জানাই। এরপর টাকা নিতে এলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আনোয়ার সর্দার বলেন, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দেওড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের ছেলে তার জামাই কামাল হাওলাদার (৩০) হ্যাকার চক্রের সাথে জরিত থাকতে পারে। তবে তার ছেলে শাহাবুদ্দিন মোবাইলে ফোন করে নগদ উদ্যোক্তার দোকানে গিয়ে ৮৬ হাজার ৭০০ টাকা তুলে আবার তা বিকাশ করতে বললে আমি সেই টাকা তুলতে আসি।
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সাইদুর রহমান জানান, এ বিষয়ে শরনখোলা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতাকৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।
সবুজদেশ/এসইউ