ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে শিকারির ফাঁদে আটকে থাকা ১২শ পাখি অবমুক্ত

  • সবুজদেশ ডেস্ক:
  • Update Time : ০৭:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে।

 

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে অবৈধভাবে শিকার করে আটকে রাখা প্রায় ১২শ ঝুট শালিক পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ জানুয়ারী) বিকেলে উপজেলার গাওলা ইউনিয়নের রাজপাট গ্রামে বিলের মধ্য থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এই পাখি উদ্ধার করা হয়।

তবে এসময় শিকারিকে আটক করতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পাখি শিকারি ও তার সহযোগিরা পালিয়ে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারী বলেন, শীতের মৌসুমে ঘের-বিলে পাখির কোলাহল বেড়ে যায়। আর এই সুযোগে একশ্রেণীর লোভী পাখি শিকারীরা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাখি শিকারের তথ্য পেয়ে আমরা গাওলা লোকালয় সংলগ্ন বিলে অভিযান পরিচালনা করি। একটি মৎস্য ঘেরের অস্থায়ী ঘরের মধ্যে বিশেষ জালে আটকে রাখা ১২শ ঝুট শালিক পাখি পাই। পরে আমরা পাখিগুলোকে অবমুক্ত করি।তবে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাখি শিকারীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পৌঁছাতে দেরি হলে পাখি গুলো হয়ত পাচার হয়ে যেতে। পাখি শিকারের সাথে যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হবে এবং এদের আটকের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সবুজদেশ/এসইউ

Tag :

বাগেরহাটে শিকারির ফাঁদে আটকে থাকা ১২শ পাখি অবমুক্ত

Update Time : ০৭:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

 

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে অবৈধভাবে শিকার করে আটকে রাখা প্রায় ১২শ ঝুট শালিক পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ জানুয়ারী) বিকেলে উপজেলার গাওলা ইউনিয়নের রাজপাট গ্রামে বিলের মধ্য থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এই পাখি উদ্ধার করা হয়।

তবে এসময় শিকারিকে আটক করতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পাখি শিকারি ও তার সহযোগিরা পালিয়ে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারী বলেন, শীতের মৌসুমে ঘের-বিলে পাখির কোলাহল বেড়ে যায়। আর এই সুযোগে একশ্রেণীর লোভী পাখি শিকারীরা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাখি শিকারের তথ্য পেয়ে আমরা গাওলা লোকালয় সংলগ্ন বিলে অভিযান পরিচালনা করি। একটি মৎস্য ঘেরের অস্থায়ী ঘরের মধ্যে বিশেষ জালে আটকে রাখা ১২শ ঝুট শালিক পাখি পাই। পরে আমরা পাখিগুলোকে অবমুক্ত করি।তবে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাখি শিকারীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পৌঁছাতে দেরি হলে পাখি গুলো হয়ত পাচার হয়ে যেতে। পাখি শিকারের সাথে যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হবে এবং এদের আটকের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সবুজদেশ/এসইউ