ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মহেশপুরে ২৩ দিনে ১২ জনের মৃত্যু, সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি ভয়াবহ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে।

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মহেশপুরে গত ২৩ দিনে শিক্ষকসহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ডাক্তার-শিক্ষকসহ ২৯৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশংকাজনক বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে।

তবে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে করোনার উপসর্গ নিয়ে কয়েক হাজার মানুষ বসবাস করছে। তারা গ্রাম্য চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি সূত্র জানায়।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেব মতে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৩ দিনে মারা গেছেন ১২ জন। এদের মধ্যে গতকাল বুধবার সকালে মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের সিরাজ উদ্দীন (৬৩), ডলি আক্তার (৩৫), গত সোমবার (২৮ জুন) রাতে শ্যামকুড় গ্রামের ইকবাল কবির (৪০), রোববার (২৭ জুন) সকালে গোকুলনগর গ্রামের রবিউল ইসলাম (৭০), শনিবার (২৬ জুন) দুপুরে তৈলটুপি গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার আব্দুল আজিজ ওরফে লাল (৭০), ২৩ জুন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উপজেলার বলিভদ্রপুর গ্রামের লিয়াকত আলী (৬০), ২১ জুন সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাটিমা গ্রামের বাকের আলীর ছেলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আশিকুর রহমান (৩৮), ২০ জুন সকালে যুগিহুদা গ্রামের ভালাইপুরপাড়ার বানেছা বেগম (৫০), ১৯ জুন দুপুরে পান্তাপাড়া গ্রামের কাওছার মণ্ডলের ছেলে রুবেল হোসেন (২৩) জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, ১৩ জুন সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাজিরবেড় ইউনিয়নের সামন্তার পটিপাড়া গ্রামের ইয়ানবী (৫৫), ১২ জুন সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মহেশপুর শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও ফতেপুর ইউনিয়নের পুরন্দপুর গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অমেদুল ইসলামের ছেলে মুখসিদুল ইসলাম (৪৭) এবং ৮ জুন সকালে সীমান্তবর্তী জিন্নাহনগর গ্রামের সাবেক স্কুলশিক্ষক খন্দকার জহুরুল হকের (৭৫) মৃত্যু হয়।

মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর সাত্তার জানান, মহেশপুরে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা।সীমান্ত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি ভয়াবহ।

এদিকে মহেশপুরে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কঠোর লকডাউন দিয়ে তা কার্যকরের চেষ্টা করছে প্রশাসন।

Tag :

মহেশপুরে ২৩ দিনে ১২ জনের মৃত্যু, সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি ভয়াবহ

Update Time : ১২:৪৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মহেশপুরে গত ২৩ দিনে শিক্ষকসহ ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ডাক্তার-শিক্ষকসহ ২৯৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশংকাজনক বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে।

তবে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে করোনার উপসর্গ নিয়ে কয়েক হাজার মানুষ বসবাস করছে। তারা গ্রাম্য চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি সূত্র জানায়।

স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেব মতে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৩ দিনে মারা গেছেন ১২ জন। এদের মধ্যে গতকাল বুধবার সকালে মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া গ্রামের সিরাজ উদ্দীন (৬৩), ডলি আক্তার (৩৫), গত সোমবার (২৮ জুন) রাতে শ্যামকুড় গ্রামের ইকবাল কবির (৪০), রোববার (২৭ জুন) সকালে গোকুলনগর গ্রামের রবিউল ইসলাম (৭০), শনিবার (২৬ জুন) দুপুরে তৈলটুপি গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার আব্দুল আজিজ ওরফে লাল (৭০), ২৩ জুন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উপজেলার বলিভদ্রপুর গ্রামের লিয়াকত আলী (৬০), ২১ জুন সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাটিমা গ্রামের বাকের আলীর ছেলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আশিকুর রহমান (৩৮), ২০ জুন সকালে যুগিহুদা গ্রামের ভালাইপুরপাড়ার বানেছা বেগম (৫০), ১৯ জুন দুপুরে পান্তাপাড়া গ্রামের কাওছার মণ্ডলের ছেলে রুবেল হোসেন (২৩) জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, ১৩ জুন সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাজিরবেড় ইউনিয়নের সামন্তার পটিপাড়া গ্রামের ইয়ানবী (৫৫), ১২ জুন সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মহেশপুর শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও ফতেপুর ইউনিয়নের পুরন্দপুর গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অমেদুল ইসলামের ছেলে মুখসিদুল ইসলাম (৪৭) এবং ৮ জুন সকালে সীমান্তবর্তী জিন্নাহনগর গ্রামের সাবেক স্কুলশিক্ষক খন্দকার জহুরুল হকের (৭৫) মৃত্যু হয়।

মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর সাত্তার জানান, মহেশপুরে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা।সীমান্ত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি ভয়াবহ।

এদিকে মহেশপুরে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কঠোর লকডাউন দিয়ে তা কার্যকরের চেষ্টা করছে প্রশাসন।