ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১
  • ২৮৭ বার পড়া হয়েছে।

মাগুরা:

মাগুরায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিন ও সিইও মোহাম্মদ রাসেলের নামে চেক ডিজঅনারের মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে মাগুরার সদর আমলী আদালতে শহরের ভায়না এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী ওয়াসিকুর রহমান কল্লোল জানান, হাবিবুর রহমান গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অ্যাপাচি ফোরভি আরটিআর মোটরসাইকেল কেনার জন্য নগদের মাধ্যমে ইভ্যালি কোম্পানিতে টাকা জমা দেন। ইভ্যালির সার্কুলার অনুযায়ী টাকা জমা দেওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার কথা। কিন্তু কোম্পানিটি নির্দিষ্ট সময়ে তাকে পণ্য দিতে পারেনি।

পরে আসামিরা তাদের পণ্য কম থাকায় বাদীকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকার একটি চেক পাঠান। চেকটি নগদানের জন্য হাবিবুর নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেন। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ জানিয়ে চেকটি ফেরত দেন। পরে টাকা পরিশোধের জন্য আসামিদের কাছে ডাকযোগে রেজিস্ট্রিকৃত আইনি নোটিস পাঠানো হয়। আসামিরা সেই নোটিস পাওয়ার পরও টাকা পরিশোধ করেননি।

মঙ্গলবার দুপুরে মাগুরার সদর আমলী আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আসামিদের প্রতি সমন জারি করেছেন। আগামী ২১ নভেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।

Tag :
জনপ্রিয়

সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে দিল ভারত

মাগুরায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

Update Time : ০৮:৪২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর ২০২১

মাগুরা:

মাগুরায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামিমা নাসরিন ও সিইও মোহাম্মদ রাসেলের নামে চেক ডিজঅনারের মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে মাগুরার সদর আমলী আদালতে শহরের ভায়না এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী ওয়াসিকুর রহমান কল্লোল জানান, হাবিবুর রহমান গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অ্যাপাচি ফোরভি আরটিআর মোটরসাইকেল কেনার জন্য নগদের মাধ্যমে ইভ্যালি কোম্পানিতে টাকা জমা দেন। ইভ্যালির সার্কুলার অনুযায়ী টাকা জমা দেওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার কথা। কিন্তু কোম্পানিটি নির্দিষ্ট সময়ে তাকে পণ্য দিতে পারেনি।

পরে আসামিরা তাদের পণ্য কম থাকায় বাদীকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এক লাখ ৮০ হাজার টাকার একটি চেক পাঠান। চেকটি নগদানের জন্য হাবিবুর নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেন। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ জানিয়ে চেকটি ফেরত দেন। পরে টাকা পরিশোধের জন্য আসামিদের কাছে ডাকযোগে রেজিস্ট্রিকৃত আইনি নোটিস পাঠানো হয়। আসামিরা সেই নোটিস পাওয়ার পরও টাকা পরিশোধ করেননি।

মঙ্গলবার দুপুরে মাগুরার সদর আমলী আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আসামিদের প্রতি সমন জারি করেছেন। আগামী ২১ নভেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।