সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরায় হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় ৯২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৬ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ২৮.২ শতাংশ। এর আগের তিন দিনে করোনা শনাক্তের হার ছিল ৩২.৭২,২৭.০৪ ও ৩০.৩৭ শতাংশ ।
সোমবার সকাল পর্যন্ত একদিনে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন থেকে তাদের মৃত্যু হয়।
এর আগের তিন দিনে উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৫ জন।
এদিকে সাতক্ষীরায় চলমান লকডাউনের চতুর্থ সপ্তাহের চতুর্থ দিনের সীমিত আকারের লকডাউনে পুলিশের বাধা ও সড়কে দেওয়া ব্যারিকেড কেউই মানছে না। ভারি যানবাহন ছাড়া সবই চলছে স্বাভাবিকভাবে।
স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই মানুষ চলাফেরা করছেন। হাটবাজার করছে। তবে দোকানপাট বন্ধ থাকলেও চুরি করেই চলছে কেনাবেচা। বিপাকে পড়েছে মোটরচালিত ভ্যান ও রিকশাচালকসহ খেটে খাওয়া মানুষ।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার জানান, বর্তমানে করোনা পজিটিভ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন এবং শহরের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে আরও ১৩ জনসহ ৩৯ জন চিকিৎসাধীন।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা পজিটিভ ২৬ ও উপসর্গ নিয়ে ২৪০ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে ১৩ জন পজিটিভ ও ১১৭ জন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। এ যাবত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬৭ জনের।
অপরদিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৩২৮ জন। হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ৮১৪ জন। এখন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮৫৩ জন। এ পর্যন্ত জেলায় ১৩ হাজার ৩১৭টি নমুনা সংগ্রহ করে ১২ হাজার ৬৩৮ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পজিটিভ এসেছে তিন হাজার ২৮৮ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪৪ জন। সরকারি ও বেসরকারি মিলে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৩৯৬ জন।
অপরদিকে সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান জনসচেতনতা কম থাকায় মানুষ লকডাউন লঙ্ঘন করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জেলার সাতটি উপজেলায় জনসমাগম ও যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য পুলিশ বিভিন্ন সড়কে বসিয়েছে ব্যারিকেড।