ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হরিণাকুন্ডুতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে।

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু নদীতে ডুবে আরিফা খাতুন (৪) ও জান্নাতুল নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা তিনটার দিকে উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের নিত্যনন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আরিফা খাতুন একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে ও জান্নাতুল পাশ্ববর্তী দরিবিন্নি গ্রামের উজ্জল হোসেনের মেয়ে। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার শিশু আরিফার চাচার বিয়ের দিন ছিল। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের বাড়িতে স্বজনরা আসতে থাকে। মামার বিয়েতে মায়ের সাথে বেড়াতে আসে শিশু জান্নাতুলও। সকাল থেকে ওই বাড়িতে চলতে থাকে গান বাজনা আর আনন্দ উল্লাস। তারই এক ফাঁকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ওই দুই শিশু। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পাশে কুমার নদ থেকে তাঁদের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মুহুর্তেই বিষাদে পরিণত হয় বিয়ে বাড়ির আনন্দ। শোকের ছায়া নেমে আসে নিহত দুই শিশুর পরিবার, স্বজনসহ এলাকাবাসীর মাঝে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বসির উদ্দিন ও শিশু আরিফার এক স্বজন জানান, বিয়ে বাড়িতে অনেক লোকের সমাগম ছিল। সবাই ছিল আনন্দ উল্লাসে ব্যস্ত । একদল কিশোর একটি ট্রলার নিয়ে নদীতে ভ্রমণে যায়। সেই ট্রলারে গান বাজনা চলছিল। হয়তো ট্রলারে গানের সেই শব্দ শুনে ওই দুই শিশু নদীর দিকে এগিয়ে যায়।

হরিণাকু-ু থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে নিহতদের স্বজনরা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে দিল ভারত

হরিণাকুন্ডুতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

Update Time : ০৬:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু নদীতে ডুবে আরিফা খাতুন (৪) ও জান্নাতুল নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা তিনটার দিকে উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের নিত্যনন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আরিফা খাতুন একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে ও জান্নাতুল পাশ্ববর্তী দরিবিন্নি গ্রামের উজ্জল হোসেনের মেয়ে। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার শিশু আরিফার চাচার বিয়ের দিন ছিল। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের বাড়িতে স্বজনরা আসতে থাকে। মামার বিয়েতে মায়ের সাথে বেড়াতে আসে শিশু জান্নাতুলও। সকাল থেকে ওই বাড়িতে চলতে থাকে গান বাজনা আর আনন্দ উল্লাস। তারই এক ফাঁকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় ওই দুই শিশু। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির পাশে কুমার নদ থেকে তাঁদের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মুহুর্তেই বিষাদে পরিণত হয় বিয়ে বাড়ির আনন্দ। শোকের ছায়া নেমে আসে নিহত দুই শিশুর পরিবার, স্বজনসহ এলাকাবাসীর মাঝে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বসির উদ্দিন ও শিশু আরিফার এক স্বজন জানান, বিয়ে বাড়িতে অনেক লোকের সমাগম ছিল। সবাই ছিল আনন্দ উল্লাসে ব্যস্ত । একদল কিশোর একটি ট্রলার নিয়ে নদীতে ভ্রমণে যায়। সেই ট্রলারে গান বাজনা চলছিল। হয়তো ট্রলারে গানের সেই শব্দ শুনে ওই দুই শিশু নদীর দিকে এগিয়ে যায়।

হরিণাকু-ু থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে নিহতদের স্বজনরা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।