ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে সমলয় পদ্ধতিতে আবাদ করা বোরো ধান কর্তন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহে সমলয় পদ্ধতিতে আবাদ করা বোরো ধান কর্তন শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলার গাগান্না গ্রামের মাঠের প্রকল্প এলাকায় ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান।

এসময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলী, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুর রশিদ, কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনাইদ হাবীব, ইমদাদুল হাসানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, শ্রমিক সংকট নিরসন ও কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধিতে সমলয় পদ্ধতিতে ধানের আবাদ করা হচ্ছে। এটি মুলত নির্দিষ্ট সময়ে একই এলাকার সকল কৃষক এক সাথে ধানের চারা রোপন, পরিচর্যা ও ধান কর্তন করবে। ধান আবাদে ব্যবহার করা হচ্ছে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার ও কর্তনে ব্যবহার করা হচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন।

গাগান্না গ্রামের এই সমলয় পদ্ধতিতে আবাদ করা তেজগোল্ড জাতের ধানে বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। এতে বিঘা প্রতি ৩০ থেকে ৩২ মন ফলন পাচ্ছেন তারা।

Tag :

ঝিনাইদহে সমলয় পদ্ধতিতে আবাদ করা বোরো ধান কর্তন

Update Time : ০৩:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহে সমলয় পদ্ধতিতে আবাদ করা বোরো ধান কর্তন শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে সদর উপজেলার গাগান্না গ্রামের মাঠের প্রকল্প এলাকায় ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান।

এসময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলী, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুর রশিদ, কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনাইদ হাবীব, ইমদাদুল হাসানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, শ্রমিক সংকট নিরসন ও কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধিতে সমলয় পদ্ধতিতে ধানের আবাদ করা হচ্ছে। এটি মুলত নির্দিষ্ট সময়ে একই এলাকার সকল কৃষক এক সাথে ধানের চারা রোপন, পরিচর্যা ও ধান কর্তন করবে। ধান আবাদে ব্যবহার করা হচ্ছে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার ও কর্তনে ব্যবহার করা হচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন।

গাগান্না গ্রামের এই সমলয় পদ্ধতিতে আবাদ করা তেজগোল্ড জাতের ধানে বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। এতে বিঘা প্রতি ৩০ থেকে ৩২ মন ফলন পাচ্ছেন তারা।