ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে পুলিশের হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঝিনাইদহে পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের হাতে আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও মিরাজ জামান রাজ নামে দুই সাংবাদিক হেনস্তার স্বীকার হয়েছেন। এসময় পুলিশ তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ আজকের পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের ঝিনাইদহ প্রতিনিধি এবং মিরাজ জামান রাজ সাপ্তাহিক দুরন্ত প্রকাশের সম্পাদক। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুর দেড়টার সময় ঝিনাইদহ শহরের পাগলা কানাই মোড়ে।

সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান, চলমান লকডাউনে বাস্তবায়নে পুলিশের সাথে স্কাউট সদস্যরা কাজ করছে। রোববার দুপুরে স্কাউটদের নিয়ে একটি স্পেশাল রিপোর্ট করার জন্য পাগলা কানাই মোড়ে যায়। সেখানে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের অনুমোতি নিয়ে এক স্কাউট সদস্যের ভিডিও বক্তব্য নেয়া শুরু করি। এসময় খানজাহান আলী নামে এক কনেস্টবল হঠাৎ উপস্থিত হয়ে বলে পুলিশের কোন ভিডিও নেওয়া যাবে না। তখন পুলিশকে জানিয়েছি আমরা তো আপনাদের বক্তব্য বা ভিডিও নিচ্ছি না, স্কাউট সদস্যদের বক্তব্য নিচ্ছি। এ কথা বলার পরই আমার হাতে থাকা ফোনটি কেড়ে নেন। এসময় আমার সাথে থাকা অপর সাংবাদিকের ফোনও কেড়ে নিয়ে ভিডিও ডিলিট করে দেন।

আমরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও সাংবাদিক পরিচয় দিলে আরো ক্ষেপে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্য বলেন, কিসের প্রেসক্লাব ? এই বলে সাংবাদিকদের নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, কনেস্টবল আবুবকর, খান বাহাদুর রাকিব ও অর্ণব।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি পুলিশ সুপার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ও ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতিকে অবহিত করেন ভুক্তভোগি দুই সাংবাদিক।

ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলামকে জানালে তিনি জানান, এমন হওয়ার কথা না। আপনারা সম্ভবত পরিচয় দেননি। তারপরও বিষয়টি আমি দেখছি।

Tag :

ঝিনাইদহে পুলিশের হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক

Update Time : ০৭:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঝিনাইদহে পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের হাতে আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও মিরাজ জামান রাজ নামে দুই সাংবাদিক হেনস্তার স্বীকার হয়েছেন। এসময় পুলিশ তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ আজকের পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের ঝিনাইদহ প্রতিনিধি এবং মিরাজ জামান রাজ সাপ্তাহিক দুরন্ত প্রকাশের সম্পাদক। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুর দেড়টার সময় ঝিনাইদহ শহরের পাগলা কানাই মোড়ে।

সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান, চলমান লকডাউনে বাস্তবায়নে পুলিশের সাথে স্কাউট সদস্যরা কাজ করছে। রোববার দুপুরে স্কাউটদের নিয়ে একটি স্পেশাল রিপোর্ট করার জন্য পাগলা কানাই মোড়ে যায়। সেখানে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের অনুমোতি নিয়ে এক স্কাউট সদস্যের ভিডিও বক্তব্য নেয়া শুরু করি। এসময় খানজাহান আলী নামে এক কনেস্টবল হঠাৎ উপস্থিত হয়ে বলে পুলিশের কোন ভিডিও নেওয়া যাবে না। তখন পুলিশকে জানিয়েছি আমরা তো আপনাদের বক্তব্য বা ভিডিও নিচ্ছি না, স্কাউট সদস্যদের বক্তব্য নিচ্ছি। এ কথা বলার পরই আমার হাতে থাকা ফোনটি কেড়ে নেন। এসময় আমার সাথে থাকা অপর সাংবাদিকের ফোনও কেড়ে নিয়ে ভিডিও ডিলিট করে দেন।

আমরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও সাংবাদিক পরিচয় দিলে আরো ক্ষেপে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্য বলেন, কিসের প্রেসক্লাব ? এই বলে সাংবাদিকদের নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, কনেস্টবল আবুবকর, খান বাহাদুর রাকিব ও অর্ণব।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি পুলিশ সুপার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ও ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতিকে অবহিত করেন ভুক্তভোগি দুই সাংবাদিক।

ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলামকে জানালে তিনি জানান, এমন হওয়ার কথা না। আপনারা সম্ভবত পরিচয় দেননি। তারপরও বিষয়টি আমি দেখছি।