ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ গ্রেপ্তার ২

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহে হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে জেলার সাধুহাটি বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হরিণাকুন্ডু এলাকার রিশখালি গ্রামের আনছার আলীর ছেলে সেকেন্দার আলী(৪০) ও একই উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের জব্বার আলীর ছেলে শাহিন জোর্য়াদার(৪৩)।

র‌্যাব জানায়, গত ৫ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় হাফিজুর রহমান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ৭ অক্টোবর নিহতের ভাই জাফিরুল ইসলাম বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। এরপর রোববার দুপুরে গ্রামের লোকজন কেষ্টপুরের গ্রামের বিলে মাছ ধরতে যায়। তখন হাফিজুর রহমানের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন পেয়ে পরিবারকে জানান তারা। ফোনটি হাফিজুর রহমানের বলে নিশ্চিত করে পরিবার। পরে ওই বিলে খোঁজাখুজি করে মাটির নিচেই পুতে রাখা হাফিজুর রহমানের পা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয় । পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো হাত পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।

র‌্যাব আরো জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারেন হাফিজুর রহমান হত্যার প্রধান আসামী সাধুহাটি বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থান করছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসবাদে হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন তারা। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদেরকে হরিনাকুন্ডু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফিরিয়ে দিল ভারত

ঝিনাইদহে হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ গ্রেপ্তার ২

Update Time : ০৭:০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঝিনাইদহে হাফিজুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে জেলার সাধুহাটি বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হরিণাকুন্ডু এলাকার রিশখালি গ্রামের আনছার আলীর ছেলে সেকেন্দার আলী(৪০) ও একই উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের জব্বার আলীর ছেলে শাহিন জোর্য়াদার(৪৩)।

র‌্যাব জানায়, গত ৫ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয় হাফিজুর রহমান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ৭ অক্টোবর নিহতের ভাই জাফিরুল ইসলাম বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। এরপর রোববার দুপুরে গ্রামের লোকজন কেষ্টপুরের গ্রামের বিলে মাছ ধরতে যায়। তখন হাফিজুর রহমানের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন পেয়ে পরিবারকে জানান তারা। ফোনটি হাফিজুর রহমানের বলে নিশ্চিত করে পরিবার। পরে ওই বিলে খোঁজাখুজি করে মাটির নিচেই পুতে রাখা হাফিজুর রহমানের পা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয় । পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো হাত পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।

র‌্যাব আরো জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারেন হাফিজুর রহমান হত্যার প্রধান আসামী সাধুহাটি বাস টার্মিনাল এলাকায় অবস্থান করছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসবাদে হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন তারা। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদেরকে হরিনাকুন্ডু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।