নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঝিনাইদহ সুইট হোটেলের মালিক আবিদুর রহমান লালু ও তার ম্যানেজার রিপনের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে ব্যাবসায়ী শিপাত উল্লাহ কৌশিক এ অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, জমি নিয়ে বিরোধ থাকার কারণে গত রোববার (২৫ ডিসেম্বর) আবিদুর রহমান লালুর মালিকানাধীন নিউ মার্কেটে আলোচনার জন্য ডাকে। সেখানে উপস্থিত হলে আবিদুর রহমান লালু আলোচনার এক পর্যায়ে সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও তার ম্যানেজার রিপনকে আমার উপর লেলিয়ে দেয়। রিপন কৌশিককে গলা পিটে ধরে কিল ঘুষি মারতে থাকে।
এ ঘটনার পেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার সুইট হোটেলের মধ্যে শরীকানা জমি নিয়ে আপোষ মিমাংশার প্রস্তাব দিয়ে ডেকে নিয়ে পুর্ব পরিকল্পনা মাফিক আবিদুর রহমান লালু চাকু দিয়ে হত্যার চেষ্টার চালায়। এ সময় কৌশিকের সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে রক্ষা করলেও এখনো খুন জখমের হুমকী দিয়ে আসছে। বিষয়টি নিয়ে শিপাত উল্লাহ
কৌশিক জানান, লালু আমাদের জমি দখল করে সুইট হোটেল নির্মান করেছে। ৩০ বছর ভুয়া মামলা দিয়ে শরীকদের জমি ফাঁকী দেওয়ার জন্য টালবাহানা করছে। ইতিপুর্বে ঝিনাইদহ সদর থানায় এ নিয়ে শালিস বৈঠক হলেও তিনি উপযুক্ত কাগজপত্র দেখাতে ব্যার্থ হন। কারণ সুইট হোটেলের পুর্ব দিকে উত্তর-দিক্ষন লম্বা জমির রেকর্ড আমাদের নামে। ওই জমির খাজনা প্রতি বছর আমরা দিচ্ছি। এদিকে ২০২১ সালের ২৯ এপ্রিল ঝিনাইদহ সদর থানায় আবু সাঈদ রিপন ২৫৫৭ খতিয়ানের ১৮১৯ দাগের জমিতে অবৈধ ফাকা ভবনের অভিযোগ করলে
সদর থানার সাবেক ওসি মিজানুর রহমান বিষয়টি তদন্তের জন্য এসআই জাকারিয়াকে দায়িত্ব দেন। এসআই জাকারিয়া সদর থানায় মিমাংশার জন্য দুই পক্ষকে ডাকলে তিনি আদালতে মামলার অজুহাতে সটকে পড়েন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, আবিদুর রহমান লালু ও তার ভাই রফিকুল ইসলাম ডাবলু কৌশিকের স্বজনদের নামে ১৯৯৮ সালে মিথ্য ডাকাতি মামলা করনে। ১৬ বছর পর সেই মামলা আদালতে ভুয়া বলে প্রমানিত হয়।
বক্তব্য জানতে আবিদুর রহমান লালুর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি (তদন্ত) ইমদাদুল হক জানান, শিপাত উল্লাহ কৌশিক নামে এক যুবকের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।