ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে লাশ হলেন প্রেমিকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে।

যশোরঃ

নিখোঁজের ৫ দিন পর শুক্রবার পুলিশ জেসমিন আক্তার পিঙ্কি (১৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আহসান কবির অঙ্কুর (২০) নামে তার এক সহপাঠীকে আটক করেছে র‌্যাব সদস্যরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৬) লে. কমান্ডার এম নাজিউর রহমান।

শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে যশোরের শার্শা থানার পুলিশ বুরুজবাগান এলাকার একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে ওই শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করে।

নিহত শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কাউরিয়া কেরালকেতা গ্রামের জাকির হোসেনের কন্যা। সে যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

নাভারণ সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার নিশাদ আল-নাহিয়ান বলেন, যশোর থেকে নিখোঁজ জেসমিন আক্তার পিঙ্কির মরদেহ নাভারণ বুরুজবাগান এলাকায় তারই সহপাঠী আহসান কবির অঙ্কুরের বাসায় পাওয়া যায়। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বাড়ির সেপটিক ট্যাংক খুলে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে। 

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমের সম্পর্ক ধরে তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়।

যশোর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৬) কোম্পানি লে. কমান্ডার এম নাজিউর রহমান বলেন, হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় আহসান কবির অঙ্কুর নামে তার এক সহপাঠীকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। 

জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি জানান।

Tag :

প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে লাশ হলেন প্রেমিকা

Update Time : ০৮:১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

যশোরঃ

নিখোঁজের ৫ দিন পর শুক্রবার পুলিশ জেসমিন আক্তার পিঙ্কি (১৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আহসান কবির অঙ্কুর (২০) নামে তার এক সহপাঠীকে আটক করেছে র‌্যাব সদস্যরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৬) লে. কমান্ডার এম নাজিউর রহমান।

শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে যশোরের শার্শা থানার পুলিশ বুরুজবাগান এলাকার একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে ওই শিক্ষার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার করে।

নিহত শিক্ষার্থী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কাউরিয়া কেরালকেতা গ্রামের জাকির হোসেনের কন্যা। সে যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

নাভারণ সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার নিশাদ আল-নাহিয়ান বলেন, যশোর থেকে নিখোঁজ জেসমিন আক্তার পিঙ্কির মরদেহ নাভারণ বুরুজবাগান এলাকায় তারই সহপাঠী আহসান কবির অঙ্কুরের বাসায় পাওয়া যায়। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বাড়ির সেপটিক ট্যাংক খুলে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে। 

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমের সম্পর্ক ধরে তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়।

যশোর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৬) কোম্পানি লে. কমান্ডার এম নাজিউর রহমান বলেন, হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় আহসান কবির অঙ্কুর নামে তার এক সহপাঠীকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। 

জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি জানান।