ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ

  • সবুজদেশ ডেস্ক:
  • Update Time : ০৭:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে।

 

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান নিক্ষেপ করে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যার পর রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর বিজয়নগর থেকে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জাপা কার্যালয়ের সামনে আসেন। এ সময় উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রায় ১৫ মিনিটের বেশি সময় উত্তেজনার পর গণঅধিকার পরিষদের নেতারা তাদের কর্মীদের সরিয়ে নেন। এর কয়েক মিনিট পরেই কয়েকজন লোক পেছন দিয়ে এসে জাপা কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পরে সামনে ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তখন তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান নিক্ষেপ শুরু করে। পরে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়।

ভাঙচুরের সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকাটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিকেলে বিজয় নগরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন দলের নেতাকর্মীরা। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্যভবন, কাকরাইল হয়ে নাইটেঙ্গেল মোড় দিয়ে বিজয় নগরের দিকে আসে।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদসহ ৫০ জন আহত হন। নুর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সবুজদেশ/এসএএস

Tag :

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ

Update Time : ০৭:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

 

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান নিক্ষেপ করে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যার পর রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর বিজয়নগর থেকে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জাপা কার্যালয়ের সামনে আসেন। এ সময় উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রায় ১৫ মিনিটের বেশি সময় উত্তেজনার পর গণঅধিকার পরিষদের নেতারা তাদের কর্মীদের সরিয়ে নেন। এর কয়েক মিনিট পরেই কয়েকজন লোক পেছন দিয়ে এসে জাপা কার্যালয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পরে সামনে ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তখন তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান নিক্ষেপ শুরু করে। পরে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়।

ভাঙচুরের সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকাটিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিকেলে বিজয় নগরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন দলের নেতাকর্মীরা। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পল্টন, প্রেসক্লাব, মৎস্যভবন, কাকরাইল হয়ে নাইটেঙ্গেল মোড় দিয়ে বিজয় নগরের দিকে আসে।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদসহ ৫০ জন আহত হন। নুর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সবুজদেশ/এসএএস