ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

 

ঝিনাইদহে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে জেলার খুচরা সার বিক্রেতারা। খুচরা সার বিক্রেতাদের আইডি বহাল রাখা, টি.ও লাইসেন্স এবং সার সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ সংশোধনের দাবীতে এ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে খুচরা সার বিক্রেতা এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে জেলার ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতারা অংশ নেয়। ঘন্টাব্যাপী চলা কর্মসূচীতে সংগঠনটির জেলা শাখার সভাপতি সায়েদুল আলম বাদশা, সদর উপজেলার শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিপু, হরিণাকুন্ডু উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আহমেদসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, খুচরা সার বিক্রেতাদের বাতিল করতে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে দেশের ৪৪ হাজার ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবারসহ ৫ কোটি কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই এ সিন্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার পাশাপাশি ২০০৯ সালের এ নীতিমালা বহাল রাখার দাবি জানান তারা।

সবুজদেশ/এসএএস

Tag :

ঝিনাইদহে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

ঝিনাইদহে খুচরা সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

Update Time : ০৪:০০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

 

ঝিনাইদহে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে জেলার খুচরা সার বিক্রেতারা। খুচরা সার বিক্রেতাদের আইডি বহাল রাখা, টি.ও লাইসেন্স এবং সার সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ সংশোধনের দাবীতে এ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে খুচরা সার বিক্রেতা এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে জেলার ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের খুচরা সার বিক্রেতারা অংশ নেয়। ঘন্টাব্যাপী চলা কর্মসূচীতে সংগঠনটির জেলা শাখার সভাপতি সায়েদুল আলম বাদশা, সদর উপজেলার শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিপু, হরিণাকুন্ডু উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আহমেদসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, খুচরা সার বিক্রেতাদের বাতিল করতে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে দেশের ৪৪ হাজার ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবারসহ ৫ কোটি কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই এ সিন্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার পাশাপাশি ২০০৯ সালের এ নীতিমালা বহাল রাখার দাবি জানান তারা।

সবুজদেশ/এসএএস